কর্মরত অবস্থায় এক জুটমিল শ্রমিকের মৃত্যুতে উত্তেজনা ছড়ালো জগদ্দলের এ্যালায়েন্স জুটমিলে।মৃত শ্রমিকের পরিবার কে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এর দাবিতে মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ বিক্ষোভ এই জুটমিলের শ্রমিকদের।ফলে উৎপাদন ব্যাহত এই জুটমিলে। জগদ্দল এ্যালায়েন্স জুটমিলের মেকানিক্যাল বিভাগের কর্মী বছর 41 এর বিবেক রাজভর শুক্রবার সকালে নিজের বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার পর অসুস্থতা বোধ করে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মিলেরই ডিসপেন্সারিতে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে বাইরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মিলের অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বাইরের এ্যাম্বুলেন্স ডাকতে অনেকটা দেরি হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মিলের ডিসপেন্সারিতেই মৃত্যু হয় ঐ শ্রমিকের।এরপরই মিল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে ঐ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে অভিযোগ তুলে মৃত শ্রমিকের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সমস্ত শ্রমিক।ফলে সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে পড়ে মিলে। এরপর মিল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃত্ব বৈঠকে বসে দু লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে এবং মৃতের পরিবারের একজনকে চাকরি ও মিলের একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে এর কর্তৃপক্ষের তরফে।এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

কর্মরত অবস্থায় এক জুটমিল শ্রমিকের মৃত্যুতে উত্তেজনা ছড়ালো জগদ্দলের এ্যালায়েন্স জুটমিলে।মৃত শ্রমিকের পরিবার কে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এর দাবিতে মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ বিক্ষোভ এই জুটমিলের শ্রমিকদের।ফলে উৎপাদন ব্যাহত এই জুটমিলে।

জগদ্দল এ্যালায়েন্স জুটমিলের মেকানিক্যাল বিভাগের কর্মী বছর 41 এর বিবেক রাজভর শুক্রবার সকালে নিজের বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার পর অসুস্থতা বোধ করে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে মিলেরই ডিসপেন্সারিতে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে বাইরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মিলের অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় বাইরের এ্যাম্বুলেন্স ডাকতে অনেকটা দেরি হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই মিলের ডিসপেন্সারিতেই মৃত্যু হয় ঐ শ্রমিকের।এরপরই মিল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে ঐ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে অভিযোগ তুলে মৃত শ্রমিকের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সমস্ত শ্রমিক।ফলে সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে পড়ে মিলে। এরপর মিল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়ন নেতৃত্ব বৈঠকে বসে দু লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে এবং মৃতের পরিবারের একজনকে চাকরি ও মিলের একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে এর কর্তৃপক্ষের তরফে।এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *