ভাটপাড়া 32 নম্বর ওয়ার্ডের কাঁকিনাড়া মাদ্রাল এলাকার এক ব্যবসায়ীর নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ১৫টি ব্যাংক থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আর এই লোন ঐ ব্যবসায়ীর অজান্তেই তুলে নেওয়ায় এখন বিপাকে কাঁকিনাড়া মাদ্রাল এলাকার ব্যবসায়ী জয়ন্ত ভট্টাচার্য্য।তিনি জানান 2021 সালে নৈহাটির একটি বাইক শোরুম এ ফাইন্যান্সে একটি টু হুইলার কিনতে গেছিলেন। সেই সময় তার প্যান কার্ড দেখে শোরুম কতৃপক্ষ থেকে জানানো হয় তার নামে এর আগে বহু লোন নেওয়া আছে তাই তাকে ফাইন্যান্সে টু হুইলার দেওয়া যাবে না। আর এই শুনেই তার পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে যায়।তবে কে বা কিভাবে তার নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে তার নামে লোন নিয়েছে তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। বহুবার তিনি ভাটপাড়া থানার দ্বারস্থ হয়েও কোন ফল না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গত 30/08/2023 ব্যারাকপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় তিনি আদালতের বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে ব্যারাকপুর আদালতের ACJM ভাটপাড়া থানা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এর সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার কে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।তবুও আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত ঐ ব্যবসায়ী চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

ভাটপাড়া 32 নম্বর ওয়ার্ডের কাঁকিনাড়া মাদ্রাল এলাকার এক ব্যবসায়ীর নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ১৫টি ব্যাংক থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা লোন নেওয়ার অভিযোগ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আর এই লোন ঐ ব্যবসায়ীর অজান্তেই তুলে নেওয়ায় এখন বিপাকে কাঁকিনাড়া মাদ্রাল এলাকার ব্যবসায়ী জয়ন্ত ভট্টাচার্য্য।তিনি জানান 2021 সালে নৈহাটির একটি বাইক শোরুম এ ফাইন্যান্সে একটি টু হুইলার কিনতে গেছিলেন। সেই সময় তার প্যান কার্ড দেখে শোরুম কতৃপক্ষ থেকে জানানো হয় তার নামে এর আগে বহু লোন নেওয়া আছে তাই তাকে ফাইন্যান্সে টু হুইলার দেওয়া যাবে না। আর এই শুনেই তার পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে যায়।তবে কে বা কিভাবে তার নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন ব্যাংক থেকে তার নামে লোন নিয়েছে তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। বহুবার তিনি ভাটপাড়া থানার দ্বারস্থ হয়েও কোন ফল না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গত 30/08/2023 ব্যারাকপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় তিনি আদালতের বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে ব্যারাকপুর আদালতের ACJM ভাটপাড়া থানা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এর সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার কে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।তবুও আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত ঐ ব্যবসায়ী চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *