অভিষেক ব্যানার্জি: গত ১৪ বছর রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানেও যায় না আমার যতটুকু এখতিয়ার সেই পরিধিতে কাজ করি। অনেক কিছু জিনিস মেনে কাজ করি। এত দূরে এসে উদ্বোধন করার পিছনে আমার দায়বদ্ধতা কোথায়? উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন কয়েক মাস আগে আলতাফ হোসেন নামে একটি যুবকের হার্টের সমস্যা হয়েছিল কিন্তু বজবজের JIMS হাসপাতালে ১২ ঘন্টার অস্ত্র প্রচার হয়েছিল।
বিগত সরকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাটাকে রসাতলে পাঠিয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত এনেছে। নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ ডায়াগনস্টিক সেন্টার তৈরি হয়েছে। প্রায় ১৪ হাজার সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকার বৈমাতৃসুলভ আচরণ করে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখতে চেয়েছিল সেখানে স্বাস্থ্য সাথীর মাধ্যমে ১০ কোটি মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী তাদের পরিবারকে স্বাস্থ্য পরিষেবার আওতায় এনেছে।
বিজেপি সহ বিরোধীদেরকে নিশানা করে অভিষেক বলেন ‘বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা হয়েছে। বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি বজায় রেখে আমাদের এলাকার শান্তি, শৃঙ্খলা, সম্প্রীতি যাতে বজায় থাকে তা দেখতে হবে। আমাদের প্রত্যেককে সজাগ থাকতে হবে, সচেতন থাকতে হবে। কেউ কেউ চায় বাংলায় যাতে আগুন জ্বলে। কেউ কেউ চায় বাংলাকে হাতে ও ভাতে মারতে। কিন্তু সরকার থাকা পর্যন্ত বাংলার একজন মানুষকেও তেমারা ভাতে মারার দুঃসাহস দেখাতে পারবে না।’
এসএসসি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় দিয়েছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টকে সম্মান করি মর্যাদা দিলি আমরা সুপ্রিমকোর্টকে বিশ্বাস করি যে বিচার ব্যবস্থা এখনো মাথা নত করেনি যার ব্যবস্থা নিরপেক্ষ। কিন্তু কোন রায় যদি আমার পছন্দ না হয় তবে তার বিরোধিতা করার অধিকার প্রত্যেকের রয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালতের এই রায় দেখে মনে হচ্ছে বিজেপির যে বৈমাত্রিক সুলভ আচরণ এবং মানসিকতা তার প্রতিফলন দেখা গেছে।
যদি অযোগ্য কেউ চাকরি পেয়ে থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক, তদন্ত হোক, চাকরি যাক শ্রীঘরে যাক। কিন্তু একজনের জন্য ১৬-১৭ হাজার মানুষের চাকরি কেড়ে নিতে পারেন না। একজন ভুল করেছে চ্যানেলটাই বাতিল করে দাও?
আমি পাঁচ ছয় বছর ধরে ইডি, সিবিআই-এর বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আমি মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য এসেছি, পরিষেবা দিয়ে যাব। আমার কেশ্রাগ্র স্পর্শ করে দেখাও, লেজে গোবরে বুঝিয়ে দেবো।।
যারা কুৎসা করছে তাদের কাজে কুৎসা করা। আমরা জনপ্রতিনিধি, মানুষের কাজ করব।
কেন্দ্রীয় সরকার জিএসটি বাড়িয়ে প্রায় ১০০ টা ওষুধের দাম বাড়িয়েছে। ৫০০ টাকার ওষুধ ২ হাজার টাকা করে দিয়েছে। JIMS হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব চিকিৎসা করাতে গিয়ে মানুষ যাতে সর্বস্বান্ত না হয়ে পড়ে, তাদের নাগালের মধ্যে যাতে চিকিৎসা পরিষেবা থাকে। এটা সুনিশ্চিত করা হোক। জীবনে এইটুকু কাজ করে উপরওলার কাছে আশীর্বাদ পাবেন।
২৪ একর জমির উপরে তৈরি বারোশো শয্যার হাসপাতাল।
