পাড়ায় সমাধান করতে এলে লোকে ঝাটা পিটা করে তারাবে।
দুয়ারে সরকার ফেল করে গেছে এবার এসছেন পারায় সমাধান করতে। প্রত্যেক বুথে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করবেন কোথায় পাবেন টাকা ডি এ র টাকা দিতে পারছেন না।
এমনটাই মন্তব্য প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এর।
পাশাপাশি অর্জুন সিংয়ের চেলেঞ্জে ছুরে দিলেন অন্য ভাষা অর্থাত পশ্চিমবঙ্গ বসবাস কারি যে অন্য ভাষার লোক আছে তাদের উপর কমিশন বসিয়ে দেখুক।একটা সাংবিধানিক পদে বসে এই কথা তিনি কি করে বলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নোটিশ দেখাচ্ছেন তা ২০২৪ সালে নভেম্বর মাসের সংশ্লিষ্ট থানা যার নামে এসেছেন তাকে নোটিশ ও করেন নি। আর মুখ্যমন্ত্রীর ঐ নোটিশ দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারির মাসে ঐ সব কেস তুলে নেওয়া হয়েছে। তার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যাচার করছেন।
পাড়ায় সমাধান করতে এলে লোকে ঝাটা পিটা করে তারাবে। দুয়ারে সরকার ফেল করে গেছে এবার এসছেন পারায় সমাধান করতে। প্রত্যেক বুথে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করবেন কোথায় পাবেন টাকা ডি এ র টাকা দিতে পারছেন না। এমনটাই মন্তব্য প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এর। পাশাপাশি অর্জুন সিংয়ের চেলেঞ্জে ছুরে দিলেন অন্য ভাষা অর্থাত পশ্চিমবঙ্গ বসবাস কারি যে অন্য ভাষার লোক আছে তাদের উপর কমিশন বসিয়ে দেখুক।একটা সাংবিধানিক পদে বসে এই কথা তিনি কি করে বলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নোটিশ দেখাচ্ছেন তা ২০২৪ সালে নভেম্বর মাসের সংশ্লিষ্ট থানা যার নামে এসেছেন তাকে নোটিশ ও করেন নি। আর মুখ্যমন্ত্রীর ঐ নোটিশ দেখিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারির মাসে ঐ সব কেস তুলে নেওয়া হয়েছে। তার পরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যাচার করছেন।
