একেবারে পুজোর মুখে চলতি মাসের 17 সেপ্টেম্বর শ্রমিক মালিক অসন্তোষের জেরে আচমকা বন্ধ হয়ে যায় ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুটমিল। এরপর ১৮ই সেপ্টেম্বর শ্রমিকদের ওপর চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না করা ও দূর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে মিল কর্তৃপক্ষ টেম্পোরারি সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় মিলটি। ফলে একেবারে পুজোর মুখে কর্মহীন হয়ে পড়ে এই মিলের প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক। এক সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় মিলের ভেতরে এই মিলের সাতটি শ্রমিক সংগঠন এবং মালিকপক্ষের এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সমাধান সূত্র বের হয়ে আগামী কাল অর্থাৎ ২৬ শে সেপ্টেম্বর মিলের মেন্টেনেন্স এর কাজ শুরু হবে এবং 27 সেপ্টেম্বর থেকে সম্পূর্ণরূপে এই মিল চালু হয়ে উৎপাদন শুরু হবে এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। আর এই খবরে স্বাভাবিকভাবে শ্রমিকদের মধ্যে খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে। তারা মিলের গেটে আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। পূজার মুখে এই এই মিল চালু হওয়ায় আবার নিজেদের কাজ ফিরে পেলো এই মিলের 5000 শ্রমিক।

একেবারে পুজোর মুখে চলতি মাসের 17 সেপ্টেম্বর শ্রমিক মালিক অসন্তোষের জেরে আচমকা বন্ধ হয়ে যায় ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুটমিল। এরপর ১৮ই সেপ্টেম্বর শ্রমিকদের ওপর চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না করা ও দূর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে মিল কর্তৃপক্ষ টেম্পোরারি সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় মিলটি। ফলে একেবারে পুজোর মুখে কর্মহীন হয়ে পড়ে এই মিলের প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক। এক সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় মিলের ভেতরে এই মিলের সাতটি শ্রমিক সংগঠন এবং মালিকপক্ষের এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সমাধান সূত্র বের হয়ে আগামী কাল অর্থাৎ ২৬ শে সেপ্টেম্বর মিলের মেন্টেনেন্স এর কাজ শুরু হবে এবং 27 সেপ্টেম্বর থেকে সম্পূর্ণরূপে এই মিল চালু হয়ে উৎপাদন শুরু হবে এমনটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। আর এই খবরে স্বাভাবিকভাবে শ্রমিকদের মধ্যে খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে। তারা মিলের গেটে আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে। পূজার মুখে এই এই মিল চালু হওয়ায় আবার নিজেদের কাজ ফিরে পেলো এই মিলের 5000 শ্রমিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *