মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই নির্দেশ দিয়েছিলেন কোনভাবেই বেআইনিভাবে পুকুর বা জলাশয় ভরাট করার যাবেনা। মুখ্যমন্ত্রী সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই জগদ্দল বিধানসভার মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নম্বর ওয়ার্ডে জলাশয় ভর্তি করার ছবি আমাদের ক্যামেরায় ধরা পরল। পুকুরপাড় সংস্কার ও বাধানোর নাম করে চলছে অবাধে পুকুর ভরাটের কাজ। এ যেন জলাশয় ভরাটের এক অভিনব নতুন পদ্ধতি।
আর এই বিষয়ে মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যা করবি বিশ্বাসকে ফোনে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি আমাদের প্রতিনিধি কে জানান তিনি কিছু জানেন না।অঞ্চল সভাপতি ও যে পুকুর ভরাট করছে সেই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করার কথা বলেন। এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কি করে পঞ্চায়েতের সদস্যার না জানা অবস্থায় অবাধে চলছে পুকুর ভরাট করার কাজ।
তবে এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানালেন মামুদপুর তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সুরঞ্জন মালাকার। আর আমাদের মারফত জানবার পর কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সেটাই দেখার বিষয়।
মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই নির্দেশ দিয়েছিলেন কোনভাবেই বেআইনিভাবে পুকুর বা জলাশয় ভরাট করার যাবেনা। মুখ্যমন্ত্রী সেই নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই জগদ্দল বিধানসভার মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নম্বর ওয়ার্ডে জলাশয় ভর্তি করার ছবি আমাদের ক্যামেরায় ধরা পরল। পুকুরপাড় সংস্কার ও বাধানোর নাম করে চলছে অবাধে পুকুর ভরাটের কাজ। এ যেন জলাশয় ভরাটের এক অভিনব নতুন পদ্ধতি। আর এই বিষয়ে মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যা করবি বিশ্বাসকে ফোনে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি আমাদের প্রতিনিধি কে জানান তিনি কিছু জানেন না।অঞ্চল সভাপতি ও যে পুকুর ভরাট করছে সেই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করার কথা বলেন। এখানেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কি করে পঞ্চায়েতের সদস্যার না জানা অবস্থায় অবাধে চলছে পুকুর ভরাট করার কাজ। তবে এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানালেন মামুদপুর তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সুরঞ্জন মালাকার। আর আমাদের মারফত জানবার পর কি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সেটাই দেখার বিষয়।
