চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, চোখ ছলছল একদা সতীর্থ বিধায়কের ———————————————–একটা যুগের অবসান। চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ২০০০ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আজ সকালে পাম এভিনিউয়ের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। বুধবার রাতে তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। আজ সকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরেই সবশেষ। এত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে শেষ সম্মান জানাচ্ছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিরাই।বুদ্ধদেব বাবুর প্রয়াণ ছাপ রেখে গেলো ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শিল্পতালুকেও।কথা বলার মত মানসিক জোর হারিয়েছেন একদা বাম সরকারের শাসনকালের এক বিধায়কও।জগদ্দল বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক হরিপদ বিশ্বাস ১৯৯৮ সাল থেকে রাজ্য বিধানসভার সদস্য ছিলেন। বুদ্ধবাবু যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তখন হরিপদ বিশ্বাস ছিলেন এই শাসনকালের বিধায়কও।আজ বুদ্ধবাবুর প্রয়ানের খবর পেয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেন নি তার সর্তীথ বিধায়কও।স্মৃতি চারণা করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর শিল্পের বন্ধ্যাদশা কাটিয়ে শিল্পায়নের পথে এগোতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তৎকালীন সময়ে বামেদের স্লোগান ছিল, কৃষি আমাদের ভিত্তি। শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আজ রাজ্যের শিল্প উধাও। এছাড়াও প্রাক্তন বিধায়কের গলায় উঠে আসে নানা অজানা কাহিনী।

চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, চোখ ছলছল একদা সতীর্থ বিধায়কের
———————————————–একটা যুগের অবসান। চিরঘুমের দেশে পাড়ি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ২০০০ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আজ সকালে পাম এভিনিউয়ের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। বুধবার রাতে তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। আজ সকালে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরেই সবশেষ। এত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে শেষ সম্মান জানাচ্ছেন সমস্ত রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিরাই।বুদ্ধদেব বাবুর প্রয়াণ ছাপ রেখে গেলো ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শিল্পতালুকেও।কথা বলার মত মানসিক জোর হারিয়েছেন একদা বাম সরকারের শাসনকালের এক বিধায়কও।জগদ্দল বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক হরিপদ বিশ্বাস ১৯৯৮ সাল থেকে রাজ্য বিধানসভার সদস্য ছিলেন। বুদ্ধবাবু যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তখন হরিপদ বিশ্বাস ছিলেন এই শাসনকালের বিধায়কও।আজ বুদ্ধবাবুর প্রয়ানের খবর পেয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেন নি তার সর্তীথ বিধায়কও।স্মৃতি চারণা করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর শিল্পের বন্ধ্যাদশা কাটিয়ে শিল্পায়নের পথে এগোতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তৎকালীন সময়ে বামেদের স্লোগান ছিল, কৃষি আমাদের ভিত্তি। শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আজ রাজ্যের শিল্প উধাও। এছাড়াও প্রাক্তন বিধায়কের গলায় উঠে আসে নানা অজানা কাহিনী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *