RGKar victim’s parents reaction: সিবিআই ঠিক মতো তদন্ত করেনি বলেই ফাঁসি হয়নি আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়’কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। যদিও নিম্ন আদালতের এই রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভয়ার বাবা। মঙ্গলবার তিনি জানালেন ‘বিচারকের উপর আমরা পূর্ণ আস্থা রেখেছিলাম, বিচারক তার আস্থা রেখেছেন। সিবিআই দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ঠিকমতো তথ্য প্রমান দিতে পারেনি বলেই তার মৃত্যুদণ্ড হয়নি। তার বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। নিম্ন আদালতের এই রায়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছেন তারা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। তা নিয়ে অভয়ার বাবা জানান ‘আমরা আগামীকাল রায়ের কপি হাতে পাবো। তারপরে পড়ে শিখবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। মুখ্যমন্ত্রীকে অত ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে এসে কিছু করতে হবে না। কারণ এতদিন অনেক করেছেন আর যেন উনি কিছু না করেন। এটাই উনার কাছে আমাদের অনুরোধ।’ এই মামলা রাজ্যের হাতে থাকলে অভিযুক্ত ব্যক্তির ফাঁসি হতো- মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অভয়ার বাবা বলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী অনেক কথা বলতে পারেন। উনিই তো সমস্ত তথ্য প্রমান লোপাট করেছেন। ওনার পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার উপস্থিত থেকে সমস্ত অন্যায়গুলো করেছে। পুলিশ এগুলো দেখতে পাচ্ছে না? আমাদের হাতে রায়ের কপি আসুক তারপরে দেখে সবকিছু সিদ্ধান্ত নেব।’ তিনি ও বলেন ‘মাটিগাড়ার ভদ্রমহিলার সাথে আমাদের কথা হয়েছে। উনি খুব হতাশ। আগামী দু’মাস দেখবেন এবং তারপর উনি নিজেই অনশনে বসবেন কালকে আমাকে বলেছেন।’ অভয়ার বাবা এও জানান ‘আইনের সংস্থান অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্য সরকারকে নিহতের পরিবারকে যে ১৭ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন আমরা তা নিতে চাইনি। কারণ আমার মেয়েকে বিকিয়ে দিতে আসেনি। আমরা এখানে বিচার চাইতে এসেছি।

RGKar victim’s parents reaction:

সিবিআই ঠিক মতো তদন্ত করেনি বলেই ফাঁসি হয়নি

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়’কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। যদিও নিম্ন আদালতের এই রায় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভয়ার বাবা।

মঙ্গলবার তিনি জানালেন ‘বিচারকের উপর আমরা পূর্ণ আস্থা রেখেছিলাম, বিচারক তার আস্থা রেখেছেন। সিবিআই দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ঠিকমতো তথ্য প্রমান দিতে পারেনি বলেই তার মৃত্যুদণ্ড হয়নি। তার বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

নিম্ন আদালতের এই রায়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছেন তারা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। তা নিয়ে অভয়ার বাবা জানান ‘আমরা আগামীকাল রায়ের কপি হাতে পাবো। তারপরে পড়ে শিখবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। মুখ্যমন্ত্রীকে অত ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে এসে কিছু করতে হবে না। কারণ এতদিন অনেক করেছেন আর যেন উনি কিছু না করেন। এটাই উনার কাছে আমাদের অনুরোধ।’

এই মামলা রাজ্যের হাতে থাকলে অভিযুক্ত ব্যক্তির ফাঁসি হতো- মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অভয়ার বাবা বলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী অনেক কথা বলতে পারেন। উনিই তো সমস্ত তথ্য প্রমান লোপাট করেছেন। ওনার পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার উপস্থিত থেকে সমস্ত অন্যায়গুলো করেছে। পুলিশ এগুলো দেখতে পাচ্ছে না? আমাদের হাতে রায়ের কপি আসুক তারপরে দেখে সবকিছু সিদ্ধান্ত নেব।’

তিনি ও বলেন ‘মাটিগাড়ার ভদ্রমহিলার সাথে আমাদের কথা হয়েছে। উনি খুব হতাশ। আগামী দু’মাস দেখবেন এবং তারপর উনি নিজেই অনশনে বসবেন কালকে আমাকে বলেছেন।’

অভয়ার বাবা এও জানান ‘আইনের সংস্থান অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্য সরকারকে নিহতের পরিবারকে যে ১৭ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন আমরা তা নিতে চাইনি। কারণ আমার মেয়েকে বিকিয়ে দিতে আসেনি। আমরা এখানে বিচার চাইতে এসেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *