দক্ষিণেশ্বর রেল বস্তি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে তারা এই রেলের অব্যবহারিত ফাঁকা জমিতে ঘর তৈরি করে বসবাস করা শুরু করে এই দক্ষিণেশ্বর মা ভবতারিণীর মন্দির কে ঘিরে তাদের রুটি-রুজি এখানেই কামারহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাসিন্দা তাদের এখানে ভোটের কার্ড আধার কার্ড রেশন কার্ড ব্যাংকের বই এবং ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বড় হয়ে ওঠা সবটাই এই রেলের অব্যবহারিত ফাঁকা জমিতে গড়ে ওঠা বস্তি মানুষের এই নিয়ে পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে নবম বার বস্তি উচ্ছেদের নোটিশ লাগায় এই নোটিশে জানানো হয়েছিল 27 শে মার্চের মধ্যে জায়গা ফাঁকা না করলে আজ ২৮ শে মার্চ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে এইখানকার যে বস্তি রয়েছে তা উচ্ছেদ অভিযান চালাবে কিন্তু অদ্ভুতভাবে দেখা গেল নোটিশে কোন রেল আধিকারিকের সই বা কোন সরকারি স্ট্যাম্প নেই শুধু রয়েছে আদেশ অনুসারে পূর্ব রেলওয়ে একটি সরকারি নোটিশ জারি হচ্ছে সেই নোটিশে কোন সরকারি আধিকারিকের সই নেই এবং স্টাম্প নেই এই নিয়ে বস্তিবাসীদের মধ্যেও কিন্তু প্রশ্ন জেগেছে এই বস্তিতে প্রায় 450 এর উপরে ঘর রয়েছে 1400 ওপর ভোটার রয়েছে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ এর উপরে মানুষ বসবাস করে তাদের দাবি একটাই তারা রেলের জায়গা ছেড়ে দেবে তাদের পুনর্বাসন দিলেই তারা রেলের জমি ছেড়ে দেবে। সব জায়গায় পুনর্বাসন যদি সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় তাহলে ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে এখানে বসবাসকারী তাদেরকে কেন পুনর্বাসন দেওয়া হবে না প্রতিবারই রেলের পক্ষ থেকে কিছুদিন পর পর নোটিশ দিয়ে তাদেরকে ভয় ভীতির মধ্যে ফেলা হচ্ছে তারা দিন আনে দিন খায় কেউ দক্ষিণেশ্বর মন্দির অঞ্চলে হকারি করে কেউ বাড়ি বাড়ি কাজ করে এইভাবে তাদের জীবন যাপন চলে তাদের কাজ বাদ দিয়ে তাদেরকে গেট আটকে বসে থাকতে হয় কিন্তু এই রেল বস্তির ঠিক ঢীল ছোড়া দূরেই দূরেই থাকেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র দীর্ঘদিন ধরে সরকার পৌরসভা এলাকার বিধায়ক এবং সাংসদ কে জানিয়ে কোন সমস্যার সমাধানের পথ বের হচ্ছে না আর এই মানুষেরাই ভোটে জেতাবার জন্য তাদেরকে ব্যবহার করা হয় কিন্তু এই অসহায় মানুষের দিকে মদন মিত্র এবং সাংসদ সৌগত রায়ের এই সমস্যার সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই আর তারা মুখে বলে মা মাটি মানুষের সরকার এবং গরিব মানুষের পাশে থাকার সরকার নাকি তারা
দক্ষিণেশ্বর রেল বস্তি প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে তারা এই রেলের অব্যবহারিত ফাঁকা জমিতে ঘর তৈরি করে বসবাস করা শুরু করে এই দক্ষিণেশ্বর মা ভবতারিণীর মন্দির কে ঘিরে তাদের রুটি-রুজি এখানেই কামারহাটি পৌরসভার অন্তর্গত ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাসিন্দা তাদের এখানে ভোটের কার্ড আধার কার্ড রেশন কার্ড ব্যাংকের বই এবং ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বড় হয়ে ওঠা সবটাই এই রেলের অব্যবহারিত ফাঁকা জমিতে গড়ে ওঠা বস্তি মানুষের এই নিয়ে পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে নবম বার বস্তি উচ্ছেদের নোটিশ লাগায় এই নোটিশে জানানো হয়েছিল 27 শে মার্চের মধ্যে জায়গা ফাঁকা না করলে আজ ২৮ শে মার্চ পূর্ব রেলের পক্ষ থেকে এইখানকার যে বস্তি রয়েছে তা উচ্ছেদ অভিযান চালাবে কিন্তু অদ্ভুতভাবে দেখা গেল নোটিশে কোন রেল আধিকারিকের সই বা কোন সরকারি স্ট্যাম্প নেই শুধু রয়েছে আদেশ অনুসারে পূর্ব রেলওয়ে একটি সরকারি নোটিশ জারি হচ্ছে সেই নোটিশে কোন সরকারি আধিকারিকের সই নেই এবং স্টাম্প নেই এই নিয়ে বস্তিবাসীদের মধ্যেও কিন্তু প্রশ্ন জেগেছে এই বস্তিতে প্রায় 450 এর উপরে ঘর রয়েছে 1400 ওপর ভোটার রয়েছে প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ এর উপরে মানুষ বসবাস করে তাদের দাবি একটাই তারা রেলের জায়গা ছেড়ে দেবে তাদের পুনর্বাসন দিলেই তারা রেলের জমি ছেড়ে দেবে। সব জায়গায় পুনর্বাসন যদি সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় তাহলে ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে এখানে বসবাসকারী তাদেরকে কেন পুনর্বাসন দেওয়া হবে না প্রতিবারই রেলের পক্ষ থেকে কিছুদিন পর পর নোটিশ দিয়ে তাদেরকে ভয় ভীতির মধ্যে ফেলা হচ্ছে তারা দিন আনে দিন খায় কেউ দক্ষিণেশ্বর মন্দির অঞ্চলে হকারি করে কেউ বাড়ি বাড়ি কাজ করে এইভাবে তাদের জীবন যাপন চলে তাদের কাজ বাদ দিয়ে তাদেরকে গেট আটকে বসে থাকতে হয় কিন্তু এই রেল বস্তির ঠিক ঢীল ছোড়া দূরেই দূরেই থাকেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র দীর্ঘদিন ধরে সরকার পৌরসভা এলাকার বিধায়ক এবং সাংসদ কে জানিয়ে কোন সমস্যার সমাধানের পথ বের হচ্ছে না আর এই মানুষেরাই ভোটে জেতাবার জন্য তাদেরকে ব্যবহার করা হয় কিন্তু এই অসহায় মানুষের দিকে মদন মিত্র এবং সাংসদ সৌগত রায়ের এই সমস্যার সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই আর তারা মুখে বলে মা মাটি মানুষের সরকার এবং গরিব মানুষের পাশে থাকার সরকার নাকি তারা
