-দেড় বছর আগে গরিব ও মধ্যবিত্ত রোগীদের জন্য ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বিধায়ক তহবিলের অর্থে একটা ইউ এস জি মেশিন এবং একটা ডিজিটাল এক্সরে মেশিন প্রদান করা হয়েছিল। অনেক গড়িমসি করার পর ইউএসজি মেশিনের পরিষেবা পাচ্ছেন রোগীরা। অথচ ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এখনও হাসপাতালে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বেলায় ডিজিটাল মেশিন চালুর জন্য হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং। তিনি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন অবিলম্বে চালু করার দাবি করেন হাসপাতাল সুপারকে। যদিও হাসপাতাল সুপার বিধায়ককে জানান, এক্সরে রুম তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু পুরোদমে কবে ডিজিটাল এক্সরে পরিষেবা পাবেন রোগীরা, তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেন নি হাসপাতাল সুপার। ভাটপাড়ার বিজেপি বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, হাসপাতালে ইউএসজি মেশিন চালু করা হলেও, ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ডিজিটাল এক্সরে মেশিন পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। রোগীদের পরিষেবার ক্ষেত্রেও এখানে রাজনীতি করা হচ্ছে। একটা এক্সরে মিশন রুম করতে দেড় বছর লাগে নাকি, প্রশ্ন পবনের। তাঁর অভিযোগ, হাসপাতালে লাগানো বিধায়ক তহবিলের অর্থে নতুন ইউএসজি মেশিন প্রদেয় স্টিকারও খুলে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল এক্সরে মেশিন নিয়ে হাসপাতাল সুপার মিজানুল ইসলাম বলেন, কনসোল রুম তৈরি খুব সময় সাপেক্ষ বিষয়। আপাতত: সিভিলের কাজ শুরু হয়েছে। ইলেটকট্রিকের কাজ শুরুর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন মেশিন ইনস্টলেশন না হওয়ায় পুরানো ম্যানুয়াল মেশিন দিয়ে রোগীদের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।

-দেড় বছর আগে গরিব ও মধ্যবিত্ত রোগীদের জন্য ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বিধায়ক তহবিলের অর্থে একটা ইউ এস জি মেশিন এবং একটা ডিজিটাল এক্সরে মেশিন প্রদান করা হয়েছিল। অনেক গড়িমসি করার পর ইউএসজি মেশিনের পরিষেবা পাচ্ছেন রোগীরা। অথচ ডিজিটাল এক্সরে মেশিন এখনও হাসপাতালে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বেলায় ডিজিটাল মেশিন চালুর জন্য হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং। তিনি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন অবিলম্বে চালু করার দাবি করেন হাসপাতাল সুপারকে। যদিও হাসপাতাল সুপার বিধায়ককে জানান, এক্সরে রুম তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু পুরোদমে কবে ডিজিটাল এক্সরে পরিষেবা পাবেন রোগীরা, তা স্পষ্ট করে জানাতে পারেন নি হাসপাতাল সুপার। ভাটপাড়ার বিজেপি বিধায়ক পবন কুমার সিং বলেন, হাসপাতালে ইউএসজি মেশিন চালু করা হলেও, ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ডিজিটাল এক্সরে মেশিন পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। রোগীদের পরিষেবার ক্ষেত্রেও এখানে রাজনীতি করা হচ্ছে। একটা এক্সরে মিশন রুম করতে দেড় বছর লাগে নাকি, প্রশ্ন পবনের। তাঁর অভিযোগ, হাসপাতালে লাগানো বিধায়ক তহবিলের অর্থে নতুন ইউএসজি মেশিন প্রদেয় স্টিকারও খুলে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল এক্সরে মেশিন নিয়ে হাসপাতাল সুপার মিজানুল ইসলাম বলেন, কনসোল রুম তৈরি খুব সময় সাপেক্ষ বিষয়। আপাতত: সিভিলের কাজ শুরু হয়েছে। ইলেটকট্রিকের কাজ শুরুর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন মেশিন ইনস্টলেশন না হওয়ায় পুরানো ম্যানুয়াল মেশিন দিয়ে রোগীদের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *