নৈহাটি : ইংরেজি বর্ষের 1700 খ্রীষ্টাব্দে নৈহাটি সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো সূচনা হয়েছিল।সরকার পরিবারের পূর্বপুরুষ মুর্শিদাবাদ এর কর্নসুবর্ন গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা কর্ন সেন দেব।এরপর দেব থেকে দে হয়ে সরকার উপাধি হয়। সেই সরকার উপাধি এখনও ব্যবহার করে আসছে সরকার পরিবার। সেখান থেকে এক পুরুষ উত্তর 24 পরগনার স্বরূপনগরে বসতি স্থাপন করেন রামানন্দ দে সরকার। সেখানেই বেশ কয়েকটি পুরুষ বসবাস করার পর নীলকন্ঠ দে সরকার নৈহাটিতে এসে বসতি স্থাপন করে বর্তমান সরকার বাড়ির স্থাপন করেছিলেন আর সেই ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ থেকেই এই সরকার বাড়িতেই দূর্গা পূজার শুরু করেন নীলকন্ঠ দে সরকার। এই নৈহাটিতেই স্কুল থেকে শুরু করে রাস্তা গঙ্গার ঘাট রয়েছে। অতীতে সরকার বাড়ির এই দুর্গাপূজাতে পাঁঠা বলি দেওয়া হতো। কিন্তু কোন একটি অঘটন ঘটায় সেই প্রথা বন্ধ হয়ে গিয়ে বর্তমানে চাল কুমড়ো বলি দেওয়া হয়। এছাড়াও এই পুজোর আরেক বৈশিষ্ট্য হল প্রতিমার মহিষাসুরের মহিষের কোন ধর থাকে না শুধুমাত্র মুন্ডা তার থাকে এছাড়াও ৩২৫ বছর আগে যে মাটিতে দুর্গাপূজা শুরু হয়েছিল সেই মাঠে আজও রয়েছে সেই মাটিকে ওই একই পরিস্থিতিতে রেখে চারিদিক কংক্রিটের ঠাকুর দালান রয়েছে। এছাড়াও বিসর্জনে সময় তাদের নিজস্ব গঙ্গার ঘাট নৈহাটি লোহাঘাট সেখানে প্রতিমা বিসর্জন হয় প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই এখনো পর্যন্ত তাদের দুর্গাপূজা হয়ে আসছে। পুজোর দিনগুলিতে এই পরিবারের সকলে যারা কর্মসূত্রে বাইরে থাকে, প্রত্যেকে একত্রিত হয়ে পূজার আনন্দে মেতে ওঠে। এছাড়াও দূর দূরান্ত থেকেও বহু মানুষ সরকার বাড়ির পুজো দেখতে ভিড় জমান এখানে।
নৈহাটি : ইংরেজি বর্ষের 1700 খ্রীষ্টাব্দে নৈহাটি সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো সূচনা হয়েছিল।সরকার পরিবারের পূর্বপুরুষ মুর্শিদাবাদ এর কর্নসুবর্ন গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা কর্ন সেন দেব।এরপর দেব থেকে দে হয়ে সরকার উপাধি হয়। সেই সরকার উপাধি এখনও ব্যবহার করে আসছে সরকার পরিবার। সেখান থেকে এক পুরুষ উত্তর 24 পরগনার স্বরূপনগরে বসতি স্থাপন করেন রামানন্দ দে সরকার। সেখানেই বেশ কয়েকটি পুরুষ বসবাস করার পর নীলকন্ঠ দে সরকার নৈহাটিতে এসে বসতি স্থাপন করে বর্তমান সরকার বাড়ির স্থাপন করেছিলেন আর সেই ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ থেকেই এই সরকার বাড়িতেই দূর্গা পূজার শুরু করেন নীলকন্ঠ দে সরকার। এই নৈহাটিতেই স্কুল থেকে শুরু করে রাস্তা গঙ্গার ঘাট রয়েছে। অতীতে সরকার বাড়ির এই দুর্গাপূজাতে পাঁঠা বলি দেওয়া হতো। কিন্তু কোন একটি অঘটন ঘটায় সেই প্রথা বন্ধ হয়ে গিয়ে বর্তমানে চাল কুমড়ো বলি দেওয়া হয়। এছাড়াও এই পুজোর আরেক বৈশিষ্ট্য হল প্রতিমার মহিষাসুরের মহিষের কোন ধর থাকে না শুধুমাত্র মুন্ডা তার থাকে এছাড়াও ৩২৫ বছর আগে যে মাটিতে দুর্গাপূজা শুরু হয়েছিল সেই মাঠে আজও রয়েছে সেই মাটিকে ওই একই পরিস্থিতিতে রেখে চারিদিক কংক্রিটের ঠাকুর দালান রয়েছে। এছাড়াও বিসর্জনে সময় তাদের নিজস্ব গঙ্গার ঘাট নৈহাটি লোহাঘাট সেখানে প্রতিমা বিসর্জন হয় প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই এখনো পর্যন্ত তাদের দুর্গাপূজা হয়ে আসছে। পুজোর দিনগুলিতে এই পরিবারের সকলে যারা কর্মসূত্রে বাইরে থাকে, প্রত্যেকে একত্রিত হয়ে পূজার আনন্দে মেতে ওঠে। এছাড়াও দূর দূরান্ত থেকেও বহু মানুষ সরকার বাড়ির পুজো দেখতে ভিড় জমান এখানে।
